বানারীপাড়ায় প্রবাসির স্ত্রী প্রেমিকার সাথে ঘুরতে গিয়ে জনতার হাতে আটক

আগস্ট ১৯ ২০২৬, ২০:১২

বানারীপাড়া প্রতিনিধি : বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ফেরিঘাটের চায়ের দোকানদার ও ধারালিয়া গ্রামের মোঃ শহিদুল ইসলামের ছোট মেয়ে প্রেমিকের সাথে ঘুরতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ার খবর পাওয়া গেছে।
জানা গেছে ওই মেয়ে তার প্রেমিকা নড়াইল পৌরসভার শিপন মুন্সির ছেলে শিহাব মুন্সির সাথে উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ব্রাক এনজিওর সামনে আপত্তিকর কার্যকলাপ করার কারণে স্থানীয়রা  আটক করে। শিহাব মুন্সি তার প্রেমিকার কথা মতো ১৭ আগস্ট সকালে নড়াইল থেকে বাসযোগে বরিশাল নথুল্লাবাদ এসে নামেন।
পরে সেখান থেকে বিকাল ৫.৩০ মিনিটে বানারীপাড়া উপজেলার গুয়াচিত্রা নামক জায়গায় এসে প্রেমিকার সাথে দেখা করে। তখন থেকে রাত ৮.৩০ মিনিট পর্যন্ত  গুয়াচিত্রা থেকে চাখারের রাস্তায় ঘোরাফেরা করতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।
স্থানীয় এক যুবক জানান যে তাদের আচরন সন্দহজনক হওয়ায় তাদের সাথে সম্পর্কের কথা জানতে চাওয়ায় তাদের কথায় ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। তাদের আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে জানা যায় যে দীর্ঘ দু’বছর পূর্ব থেকে তাদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিলো।
প্রেমিক শিহাব বলেন তার প্রেমিকা আসতে বলায় সে দেখা করতে আসে।ওই প্রেমিকার বাবা জানান তার মেয়ে শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার কথা বলে বিকাল ৩.৩০ মিনিটের দিকে বের হয়ে যায়। সহিদুল ইসলামের ওই মেয়ে বিবাহিত এবং তার শ্বশুর বাড়ি উজিরপুর উপজেলার ডহরপাড়া গ্রামে।তার স্বামী সৌদি প্রবাসি।
মেয়েটির শ্বশুর আরো জানান, যে তাদের পুত্রবধূ বিয়ের পর থেকেই প্রায়ই বাবার বাড়ি থাকে।গত দুইমাস পূর্বে বাবার বাড়ি যাওয়ার পরে সে আর শ্বশুর বাড়ি ফিরে যায়নি।স্বামীর সাথেও তার বুনিবনা ভালো না।মে স্বামীর বাধ্য স্ত্রী নয়।
বানারীপাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মজিবুর রহমানের নিকট এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন স্থানীয়রা প্রেমিক ও প্রেমিকাকে আটক করে থানা পুলিশকে জানানোর পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে স্থানীয়দের শান্ত করেন এবং ওই প্রেমিকার প্রেমিকের প্রতি অভিযোগ না করায় তাকে তার অভিভাবকের জিম্মায় ফিরিয়ে দেয়া হয়।প্রেমিক শিহাব মুন্সিকে থানায় এনে মুচলিকা নিয়ে তাকেও ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।