ছাত্রদল সভাপতি-সম্পাদক সহ ১৮জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
ববিতে সড়ক নির্মাণকাজে ছাত্রদলের বাধা ও চাঁদাদাবির অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার : বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ক্যাম্পাসে সড়ক নির্মাণকাজে বাধা দিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্ত সহ বেশ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল নগরীর ব্রাউন কম্পাউন্ড রোড এলাকার বাসিন্দা এবিএম আওলাদ হোসেন একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন–১ সংলগ্ন অভ্যন্তরীণ আরসিসি সড়ক নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের তত্ত্বাবধানে এ কাজ চলমান ছিল।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১ মার্চ সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে অভিযুক্তরা কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে নির্মাণস্থলে এসে কাজ বন্ধ করে দেয়। তারা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে কাজের অংশ হিসেবে টাকা দাবি করে।
অভিযোগে বলা হয়, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা শ্রমিকদের ভয়ভীতি দেখায়, গালিগালাজ করে এবং কাজ বন্ধ করে দেয়। এতে নির্মাণকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার পর বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হলেও তাৎক্ষণিক কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি বাধ্য হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে সাবেক ছাত্রদল নেতা রেজা শরীফ, আজমান সাকিব (২৩) ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্ত (২৪) এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্ত সাবেক ছাত্রদল নেতা রেজা শরীফ মানবকণ্ঠকে বলেন, নিম্নমানের কাজ করায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা নির্মাণকাজে বাধা দেয়। ঠিকাদার আওলাদ হোসেনের কাছে কোন চাঁদা চায়নি কিংবা হুমকি ধামকির কিরকম কোন ঘটনা ঘটেনি। সাধারণ শিক্ষার্থীরা চাইছেন ভবিষ্যতে ঠিকাদার আওলাদ হোসেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কাজ করতে পারবেন না।
এ ব্যাপারে বরিশাল বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন মানবকণ্ঠকে বলেন, “লিখিত অভিযোগটি আমরা পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঠিকাদারি কাজ নিয়ে প্রভাব বিস্তার ও চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।










































