বাকেরগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার : বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় আদালতের জারি করা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ভরপাশা মৌজার ৪ শতাংশ জমি নিয়ে চলমান দেওয়ানি মামলার মধ্যেই নির্মাণ কাজ চালাচ্ছেন তারা।
জানা গেছে, বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৮নং ভরপাশা গ্রামের মো. আবদুল কাদের মোল্লার ছেলে স্থানীয় বাসিন্দা সামসুল হক মোল্লার জে.এল. ৪৬, ভরপাশা মৌজার এস.এ. ৪৩ নং খতিয়ানভুক্ত হাল দাগ ৫৮২, ৫৮৩, ৫৭০৩, ৫৭০৪, ৫৭০৫ ও ৫৭০৬–এর আংশিক ২.৪৭ একর ভূমির মধ্যে বি.এস. খতিয়ান ২৬৮৭ ও দাগ ৬৭৬৬ এর অধীনে থাকা ৪ শতাংশ জমিতে সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণের অভিযোগে বরিশালের জেলা প্রশাসক সহ ১০ জনকে বিবাদী করে দেওয়ানি মামলা নং ২৭/২০২৫ দায়ের করেন।
এ মামলায় বাকেরগঞ্জ সহকারী জজ আদালত গত ২৪ সেপ্টেম্বর উক্ত জমিতে অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। কিন্তু আদালতের এ আদেশ অমান্য করে ওই জমিতে ভবন নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখায় ভায়োলেশন মামলা নং মোৎ ২৫/২০২৫ দায়ের করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, বাকেরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ বা প্রতিশ্রুতি পূরণ না করেই ওই জমিতে সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ কাজ শুরু করেন। পরে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ থাকলেও উপজেলা প্রশাসন পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করে।
জমির মালিক দাবি করেন, উপজেলা প্রশাসনকে বারবার মৌখিক ও লিখিতভাবে জানানো হলেও কোনো ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা আদালতের দ্বারস্থ হন। এ ঘটনায় এডিএম কোর্টে মামলা নং ৯৩১/২৫ দায়ের করা হলে আদালত ধারা ৪৪ এর অধীনে নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
এ বিষয়ে জমির মালিক সামসুল হক মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, “আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও নির্মাণকাজ বন্ধ না করে উল্টো উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় আমাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি আমাদের প্রতি অন্যায় ও আইন অমান্য করার শামিল।”
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আফরোজকে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।










































