প্রতিবেশীকে হত্যা করতে না পেরে তার দুটি গরু কুপিয়ে জখম
জুন ০৪ ২০২৬, ২০:০০
আমতলী প্রতিনিধি : বরগুনার তালতলীতে প্রতিবেশী বাহাদুর প্যাদাকে হত্যা করতে গিয়ে তাকে না পেয়ে তার দুইটি গরু কুপিয়ে জখম করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি ছত্তার হাওলাদারের নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসী বাহিনী এমন কাজ করেছেন বলে বাহাদুর প্যাদা অভিযোগ করেছেন। ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টার দিকে তালতলী উপজেলার হুলাটানা গ্রামে।
জানাগেছে, তালতলী উপজেলা পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি ছত্তার হাওলাদার ও তার সহযোগীরা হুলাটানা গ্রামের শহীদ তালুকদারের এক একর জমি জোরপুবর্ক দখল করে ঘের কাটছিল। এতে গত ২০ মে উপজেলা নিবাহী অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম ঘের কাটতে নিষেধাজ্ঞা দেয়।
ঘের কাটার নিষেধাজ্ঞায় আওয়ামীলীগ নেতা ছত্তার হাওলাদার ও তার সহযোগীরা প্রতিবেশী বাহাদার প্যাদাকে সন্দেহ করেন। এর জের ধরে বিভিন্ন সময় ছত্তার হাওলাদার ও তাদের সহযোগীরা বাহাদুরকে গুলি করে হত্যার হুমকি দেয়।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টার দিকে বাহাদুরকে হত্যা করতে ছত্তার হাওলাদারের নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসী বাহিনী ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার বাড়ীতে আসে। এ সময় তাকে বাড়ী না পেয়ে তার দুইটি গরু কুপিয়ে জখম করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, ছত্তার হাওলাদারের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র নিয়ে এসে বাহাদুরকে খুঁজতেছিল। তাকে না পেয়ে তার দুইটি গরু কুপিয়েছে।
বাহাদুর প্যাদা বলেন, আমাকে আওয়ামীলীগ নেতা ছত্তার হাওলাদারের লোকজন বিভিন্ন সময় গুলি করে হত্যার হুমকি দিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টার দিকে ছত্তার হাওলাদারের নেতৃত্বে হামেজ মৃধা, নাশির মৃধা, জসিম মৃধা, জুয়েল হাওলাদার ও নজরুলসহ ২০-২৫ জন সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাকে হত্যা করতে আমার বাড়ীতে আসে। আমাকে না পেয়ে আমার দুইটি গরু কুপিয়ে জখম করেছে। আমি এ ঘটনায় তাদের শাস্তি দাবী করছি।
পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি মোঃ ছত্তার হাওলাদারের বড় মেয়ে লাইলী বলেন, বাবা ফোন রেখে কোথায় যেন গেছে। তবে বাহাদুরের সঙ্গে কি হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন কিছুই হয়নি, এই বলে ফোনের সংযোগ কেটে দেন।
তালতলী উপজেলা প্রাণী সম্পদ উপ-সহকারী অফিসার সঞ্জয় সিকদার বলেন, গরুর গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ আছে। গরুর যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তালতলী থানার ওসি মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জেনেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।









































